সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানা, সূত্রপুর থানা এবং ঢাকার বাইরে জয়পুরহাট, নাটোর ও রংপুরে মোট ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলাসহ বিভিন্ন সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০২ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। গতকাল রোববার ডিএমপির তেজগাঁও থানায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ২৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন এ আবেদন করেছেন। মামলার আবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আবেদনে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে হামলার হুকুমদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী, আওয়ামী লীগ নেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তাও রয়েছেন।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর সূত্রাপুরে দুই শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলেন-কবি নজরুল সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন কাউসার ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের ওমর ফারুক। গতকাল রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলামের আদালতে এ মামলা করেন নাসরিন বেগম নামে এক নারী। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সূত্রাপুর থানাকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন-সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের অজ্ঞাতনামা নেতা এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যসহ আরও ২০০ থেকে ২৫০ জন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা আন্দোলনে নামে। গত ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা আন্দোলন নিয়ে বিরূপ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যে প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত হয়ে ওবায়দুল কাদের, তাপস, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাছান মাহমুদ, মহিবুল হাসান, পলক, নুরুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন শিক্ষার্থীদের হুমকি দেন। ছাত্রদের দমনে এসব আসামিদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদের প্রত্যক্ষ মদদে ও নির্দেশে নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার ও হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও পিওএম থেকে নিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা গত ১৫ জুলাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, গুম, খুন করা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা সূত্রাপুর থানাধীন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজ ও কবি নজরুল কলেজের সামনে অবস্থান নেয়। তাদের সঙ্গে পুলিশ, আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিও চালানো হয়। এতে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন কাউসার ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের ওমর ফারুক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জয়পুরহাটে কলেজছাত্র নজিবুল সরকার ওরফে বিশাল গুলিতে নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে নিহত নজিবুল সরকার ওরফে বিশালের বাবা মজিদুল সরকার বাদি হয়ে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। মামলা এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করতে জয়পুরহাট সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার বাদি আইনজীবী আব্দুল মোমিন ফকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নজিবুল সরকার ওরফে বিশাল (১৮) নিহত হন। তিনি পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর গ্রামের মজিদুল সরকারের ছেলে। নজিবুল সরকার পাঁচবিবি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার ১৪ দিন পর গতকাল রোববার নিহতের বাবা বাদি হয়ে আদালতে হত্যা মামলা করেন।
বাদির আইনজীবী আব্দুল মোমিন ফকির বলেন, মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করতে জয়পুরহাট সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
নাটোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে স্কুলছাত্র ইয়াসিন ইসলাম হত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নাটোরের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ ১১১ জনের নামে হত্যা মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে নিহত ইয়াসিনের বাবা ফজের আলী বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেছেন। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এজহার পাওয়ার পরে মামলাটি নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এজাহারে উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন-জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাটোর কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান, সহ-সভাপতি ও নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি, প্যানেল মেয়র আরিফুল ইসলাম মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মোর্তজা আলী বাবলু, নাটোর কোর্টের জিপি আব্দুল মালেক শেখ, নাটোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল, জেলা যুবলীগ সভাপতি এহিয়া চৌধুরী, নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, তেবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর আলী প্রধান, সাবেক এমপি শিমুলের ছোট ভাই সাজেদুল ইসলাম সাগর ও তার ভাগ্নে নাটোর পৌরসভার কাউন্সিলর নাফিউ ইসলাম অন্তরসহ ১১১ জন। এছাড়া অজ্ঞাত আরও অনেককে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ফজের আলীর করা এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তার ছেলে ইয়াসিন ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। ৪ আগস্ট সকালে ইয়াসিন শহরের মাদরাসা মোড়ে আন্দোলন করার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হুকুমে নাটোর দুই আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ অন্য আসামিরা তার ছেলেকে মারধর করেন। পরে তারা কান্দিভিটার শিমুলের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে তাকে নিয়ে আটকে রাখেন। পরদিন ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগের খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে ইয়াসিনকে আটকে রেখেই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজ বাড়িতে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যান শফিকুল ইসলাম। এর পরের দিন সকালে তার বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে ইয়াসিনের পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাটোর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফজের আলীর দায়ের করা এজাহারটি নথিভুক্ত করার জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।
এছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনার এক মাস পর গতকাল রোববার দুপুরে রংপুর মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে নিহত আব্দুল্লাহ আল তাহিরের (২৮) বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে জানান পেশকার রাজু মিয়া। মামলায় সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি (বাধ্যতামূলক অবসর) আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (বাধ্যতামূলক অবসর) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার উত্তম কুমার পাল, এডিসি (ক্রাইম) উৎপল কুমার রায়, এডিসি (ডিবি) মো. নুর ইসলাম পাটোয়ারী এবং কোতোয়ালি থানার ওসি মোন্তাসির বিল্লাহকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাজেদ আলী বাবলু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক প্রমানিক, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, সাবেক সদস্য (সংরক্ষিত) নাছিমা জামান ববি, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল আলম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম তোতা, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ হোসেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহাজাদা আরমান, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কানা হারুন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইদ্রিস আলী, জেলা যুবলীগের সভাপতি লক্ষ্মীণ চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি, মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন, যুবলীগ নেতা ডিজেল আহমেদ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ সনু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী মো. মানিক, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শাহজাহানুর ইসলাম সৌরভ, সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তানিম আহসান চপল, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ আসিফ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী মো. মামুন। মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই রংপুর মহানগর সিটি বাজার এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ওই দিন পুলিশের গুলিতে আব্দুল্লাহ আল তাহির নিহত হন। তিনি ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকসের অষ্টম পর্বের শিক্ষার্থী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। প্রবল গণআন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দশম মামলা এটি।
গতকাল রোববার ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন কাউসার ও ওমর ফারুক হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। গত শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় ৫ অগাস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে আবুল হাসান স্বজন নিহতের ঘটনায় গত শনিবার রাতে সদর মডেল থানার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। এদিন ভোররাতে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র তানভির ছিদ্দিকীর চাচা মোহাম্মদ পারভেজ চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এর আগে চার দিনে ঢাকায় তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হয়, যার মধ্যে চারটি হত্যা মামলা, অন্যটি দায়ের হয়েছে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে। এর বাইরে বগুড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষক সেলিম হোসেনের নিহতের ঘটনায় গত শুক্রবার হত্যা মামলা করা হয়েছে সদর থানায়। এ ছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও ৫ মামলা
- আপলোড সময় : ১৯-০৮-২০২৪ ১০:১৬:২০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০৮-২০২৪ ১০:১৬:২০ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ